Body
বিরতির অ্যালার্ম বন্ধ করে আরেকটা test চালিয়েছিলাম, তারপর আরেকটা। উঠে চায়ের কাপ ধরতে গিয়ে বুঝলাম ডান কবজিতে ঝিনঝিন করছে, হাতলটা ঠিক করে ধরতে দুবার চেষ্টা করতে হল। মাউস চালানোর সময় কিছু হয়নি বলব না, হয়েছিল, আমি পাত্তা দিইনি। এখন বাঁ হাতে লিখতে গেলে নিজের নামও অচেনা লাগে। স্ক্রিন বন্ধ করে ছাদে গিয়েছিলাম, হাঁটতে প্রথমে বিরক্ত লাগছিল কারণ অসমাপ্ত কাজটা মাথায় ছিল। একটু পরে ঘাড়ের টান কমেছে, চোখের শুকনো ভাবও। নিচে এসে আবার বসেছি, তবে হালকা কাজ নিয়েছি। এইটুকু করতে একটা কাপ ধরতে অসুবিধা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করলাম কেন, তার ভালো উত্তর নেই।
Mind
নতুন ছেলেটার bug report প্রথমে বাতিল করতে যাচ্ছিলাম, কারণ আমার ফোনে সমস্যাটা হচ্ছিল না। সে বলল ধাপ একই, কিন্তু তার নেটওয়ার্ক মাঝখানে কেটে গিয়েছিল। এই তথ্য শুরুতে লেখেনি বলে বকলাম, তারপর সংযোগ বন্ধ করে পরীক্ষা করতেই আটকে থাকা লেনদেনটা পেলাম। সমস্যা আসল, রিপোর্ট অসম্পূর্ণ; দুটো আলাদা কথা। বারবার একই পরীক্ষায় একই ফল পাওয়ার মধ্যে নিশ্চিন্ত হয়ে বসেছিলাম, পরিবেশটা বদলাইনি। কাল ওকে দিয়ে ধাপগুলো আবার লেখাব, নিজে শুধু review করব। সবটা আমি লিখে দিলে দ্রুত শেষ হয় ঠিকই, কিন্তু পরেরবার আবার আমাকে লাগবে। ওর প্রশ্নটা ঠিক ছিল, সেটা মিটিংয়েও বলতে হবে।
Emotion
ছেলে তার বানানো রহস্যের খেলায় আমাকে হারিয়ে খুব হাসছিল। আমি প্রথমে নিয়মের অস্পষ্টতা ধরলাম, সে সঙ্গে সঙ্গে হাসি বন্ধ করে বলল, তুমি হারলেই ভুল খোঁজো। রাগ হয়েছিল, কারণ নিয়মটা সত্যিই স্পষ্ট ছিল না। কিন্তু ও কতক্ষণ ধরে কাগজ কেটে সূত্রগুলো বানিয়েছে, সেটাও দেখেছি। বললাম ঠিক আছে, এই রাউন্ড তোমার। কথাটা এমনভাবে বলেছি যেন বিশেষ অনুমতি দিলাম, স্বাভাবিক অভিনন্দনও দিতে পারি না। পরে ও বাবাকে পুরো খেলাটা বোঝাচ্ছিল, আমাকে আর ডাকেনি। খারাপ লেগেছে। এখন গিয়ে বসলে হয়তো আবার ব্যাখ্যা শুরু করবে, তবু বসব। আজ আর নিয়ম শুধরোনোর দরকার নেই।